সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা বিদ্যুতের দাম বাড়লো দুই বছরে নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন ২১৫ জন তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১৪৮৭ কোটি টাকা মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ গণমাধ্যম, পুলিশ ও প্রবাসীদের উদ্যোগে অসহায় সাজু মিয়ার মুখে হাসি হাওরপাড়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস যাত্রী ওঠানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর ১০টি পৌরসভার পানি সরবরাহ লাইনে ত্রুটি, দুর্ভোগে ৬ শতাধিক গ্রাহক স্থানীয় সরকার নির্বাচন : আগস্টের শেষে তফসিল, অক্টোবরে ভোটের চিন্তা হাওরে কৃষকের নিরানন্দ ঈদ তোফায়েল আহমেদ আর নেই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা : এমপি কামরুল

চিকিৎসাবিজ্ঞানের কল্যাণে সন্জীদা খাতুনের মরদেহ দান

  • আপলোড সময় : ২৯-০৩-২০২৫ ০১:৩৪:৩৫ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৯-০৩-২০২৫ ০১:৩৪:৩৫ পূর্বাহ্ন
চিকিৎসাবিজ্ঞানের কল্যাণে সন্জীদা খাতুনের মরদেহ দান
সুনামকণ্ঠ ডেস্ক :: দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনের অন্যতম পথিকৃৎ, সংগীতজ্ঞ ও ছায়ানটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সন্জীদা খাতুনের মরদেহ বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানাটমি বিভাগে দান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) তার ছেলে পার্থ তানভীর নভেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বেলা ১১টার দিকে মরদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া স¤পন্ন হয়। সন্জীদা খাতুন ১৯৯৮ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানের কল্যাণে নিজের দেহ দানের সিদ্ধান্ত নেন এবং সে সময় একটি চুক্তি করেন। তার মৃত্যুর পর পরিবারের সদস্যরা সেই চুক্তি অনুযায়ী মরদেহ দান করেন। মরদেহ হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন পার্থ তানভীর নভেদ, তার ছোট বোন রুচিরা তাবাসসুম নভেদ, বড় বোনের স্বামী সাংবাদিক নিয়াজ মোরশেদ কাদেরী এবং ছোট বোনের দেবর অধ্যাপক মানজারে শামীম। পার্থ তানভীর নভেদ আরও জানান, ১৯৯৮ সালে চুক্তির সময় অধ্যাপক মানজারে শামীম উপস্থিত ছিলেন এবং মরদেহ হস্তান্তরের সময়ও তিনিই ছিলেন। প্রথমে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, প্রবাসে থাকা স্বজনদের আসার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে শেষ পর্যন্ত সন্জীদা খাতুনের নিজস্ব ইচ্ছার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পরিবারের সদস্যরা তার মরদেহ চিকিৎসাবিজ্ঞানের গবেষণার জন্য দান করেন। গত মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) বেলা ৩টা ১০ মিনিটে ৮৭ বছর বয়সে সন্জীদা খাতুন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এরপর রাতে তার মরদেহ হিমঘরে রাখা হয়। বুধবার (২৬ মার্চ) দুপুরে মরদেহ নেওয়া হয় ছায়ানট ভবনে, সেখানে তার দীর্ঘদিনের সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও সংস্কৃতিকর্মীরা শেষ শ্রদ্ধা জানান। পরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হলে শিল্পী, শিক্ষক, সাংবাদিক ও সর্বস্তরের মানুষ তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স